Thursday, 6 October 2016




বিনোদিনী

কনেবউ পথ আগলায় ।অন্যপুরুষ এলো বিয়ের পিঁড়িতে!
পাখি নয়, কুশবন চিরে বেরিয়ে পরেছে ডিম ।
কেউ জানবে না সে ই লাবণ্যময়ী ।  
ঘুমের ভেতর ঘুম ।রূপকথা ।বীজ ।
বাড়ি ফেরা নেই ।শিকেয় চোদ্দোবাতি...কৃষ্ণপক্ষের শুরু
শাঁখ ও উলুর ধ্বনি গ্রামে ।কাজল মাখানো শিশুর সহজ-পাঠ  
ঝাঁপিতে আলোর মালা - ঘরে ।
মোষের পিঠের থেকে নেমে আসছেন সূর্য-দেবতা ।
এয়োতি চিহ্নে জট ও উকুন ।লাল রং লেপা চুলে
গালে পক্সের গুটি...জুঁই ফুলে সাজানো খোঁপা ।
প্রথম প্রহরে নুন মুখে নিয়ে ভেসে উঠি ।ভাঙা
কুলো নিয়ে ছাই ফেলে কলাবতী বউ ।
পান্তা ফুরিয়েছে মা রাতে ।আজ আর কাঁদিস না তুই
বাকি দেহটুকু হেসে ওঠে খিল খিল...  
             




দাসী


সতীনের মা... চেরা দুইথানে একসাথে শোয়াতাম – রাসযাত্রায়
ত্রি-সন্ধ্যায় জপ ভুলে আছি ।কাঁধে ও কাখালে যম
একডণ্ড নামাই না ভুয়ে...আমি তার শাপে শুকোই,মরি
অনন্তপ্রাণ,সোমদেব অন্য যে কজন বোষটম
তাঁদেরো খাওয়াতাম এই বাম স্তন ।দোষ-গুন কিছু বুঝি না অতো  
কথা শেষ ভাবি ...তুলসি মঞ্চে তখন লুঠ বিনিময় প্রথা
রাত ভোর জাগি । হিম মাখি হিম গায়ে দুয়োর আগলাই ।